Foods

“ঘি” এর সকল উপকারিতা

ঘি দুগ্ধজাত খাবার।ঘি নাম শুনলেই যেন মনটা ভরে যায়।গরম ভাতে একটু ঘি হলেই যেন পুরো ভাতটা নিমিষেই খাওয়া হয়ে যায়।ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি থাকে। ঘি এর ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বিশেষ কিছু খাবারের স্বাদ বাড়াতে যেমন কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়। ঘি খেতে তো অনেকেই পছন্দ করেন আবার অনেকেই অপছন্দ করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না ঘিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে। ঘি তখনই শরীরের ক্ষতি করে, যখন তা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়। তাই ঘিয়ের উপকারিতা পাওয়ার জন্য নিয়ন্ত্রণ মেনে ঘি খেতে হবে। তবে তার আগে জেনে নেওয়া যাক ঘিয়ের উপকারিতা গুলো কি কি-

 ঘি-এর ১০ উপকারিতা

  •  হাড়ের জন্য:- “ঘিয়ের ভিটামিন ‘কে’ ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে হাড়ের স্বাস্থ্য ও গঠন বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর ইনসুলিন ও শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে কাজে লাগে ভিটামিন ‘কে।” বলেন চ্যাডউইক। ঘিতে যেসব ভিটামিন রয়েছে -এ, ডি, ই এবং কে, যা আমাদের হৃৎপিন্ড,হাড়ের জন্য খুব উপকারী। এই ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট যা গিঁটে ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা সমাধানে কাজ করে। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে কাজ করে এবং হাড়কে ভালো রাখে।
  • উপকারি কোলস্টেরল:- কোলস্টেরল দু ধরনের- উপকারি ও ক্ষতিকর।ঘিতে রয়েছে উপকারি কোলস্টেরল। ঘিতে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে।যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।
  • স্মৃতিশক্তি বাড়ায়/ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে:- নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিকবাবে ব্রেন পাওয়ারের উন্নতিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এত উপস্থিত ওমাগা- ৬ এবং ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কিছু গবেষমায় দেখা গেছে এই দুই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • ওজন কমায় ও এনার্জি বাড়ায়:- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব দ্রুত এনার্জি বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।
  • হজম ক্ষমতা বাড়ায়:- ঘিতে রয়েছে প্রচু বাটাইরিক অ্যাসিড, যা আমাদের খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে।যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:- প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায়, ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।ঘি এর বৈশিষ্ঠ্য হল নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
  • ক্ষিদে কমায়: ঘিতে ওমেগা-ত্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড থাকায় এটি ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতা কমায়। ফলে ওজন হ্রাসের পথ প্রশস্ত হয়। অন্যমতে হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।
  • পজিটিভ ফুড-:- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।
  • চোখকে ভালো রাখে: ঘিতে রেয়েছ ভিটামিন -ই। তাই এটি যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে অবটিক নার্ভের উন্নতি ঘটে। ফলে আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।
  • ভিটামিনের উৎস: বিশেষজ্ঞের মতে, “প্রাকৃতিকভাবেই ঘিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লাইনোলেইক অ্যাসিড ও বিউটাইরিক অ্যাসিড থাকে। দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জননাঙ্গ ইত্যাদির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত উপকারী। ঘিতে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘কে’, ‘ই’ এবং ‘বি টুয়েলভ’ থাকে।ঘিয়ের ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘কে’ চর্বিতে দ্রবণীয়। ফলে চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরে আরও ভালোভাবে শোষিত হয়। শরীরের প্রয়োজনে ব্যবহৃতও হয় বেশি কার্যকরভাবে।”

পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি(১ কেজি)

৳ 1,400.00
সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি  পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি। আপনিও ঘরে বসে উপভোগ করতে পারেন আমাদের নিজস্ব ফার্মে প্রস্তুতকৃত পাবনার খাঁটি গাওয়া ঘি'র স্বাদ!

সুন্দরবনের ১০০% প্রাকৃতিক মধু (৫০০ গ্রাম)

৳ 500.00
সুন্দরবনের মধু পৃথিবীর বিখ্যাত মধুগুলোর মধ্যে অন্যতম। আবার সারা বাংলাদশেে যে সমস্ত মধু পাওয়া যায় এগুলার মধ্যে স্বাদ,গুণে,মানে ও পুষ্টিতে সব দিক থেকে সুন্দরবনরে মধু সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও ঔষধি গুণে ভরপুর।

রোগ প্রতিরোধে ঘি

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:- প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায়, ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।ঘি এর বৈশিষ্ঠ্য হল নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
  •  ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: ঘিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত ফ্রি রেডিকালদের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে অনেকেই ঘি সহযোগে রান্না করে থাকেন। এই অভ্যাসও কিন্তু খারাপ নয়। কারণ ঘি-এর “স্মোকিং পয়েন্ট” খুব হাই। ফলে বেশি তাপমাত্রায় রান্না করলেও কোনও ক্ষতি হয় না।
  • চোখকে ভালো রাখে: ঘিতে রেয়েছ ভিটামিন -ই। তাই এটি যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে অবটিক নার্ভের উন্নতি ঘটে। ফলে আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।
  • অ্যালার্জি কমায়: ‘ল্যাকটোজ ইনটোলেরেন্ট’ বা দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের যাদের পেটের গড়বড় হয় তাদের জন্য আদর্শ খাবার হতে পারে ঘি।
  • ভিটামিন: ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যে: যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাঁদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।
  • মানসিক বিষক্রিয়াগত মাথাব্যথা মুছে ফেলে:
    গবেষণায় দেখা যায়, নেতিবাচক আবেগের একটি রাসায়নিক রচনা রয়েছে এবং তা হল এইসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। ঘি একটি সুস্থ চর্বি যা এই আবেগ পোষণ করে না। এর পরিবর্তে এটি তাদের খুঁজে ফ্লাশ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ত্বকের যত্নে ঘি

  • ত্বকের বয়স কমবে

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত স্ট্রেস এবং পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় ক্ষতি হয় যে ত্বক বুড়িয়ে যায় সময়ের আগেই। সবথেকে ভয়ের বিষয় হল, এমন ঘটনা যে শুধু মুষ্টিমেয় কয়েকজনের সঙ্গেই ঘটছে, এমন নয়! বরং সিংহভাগই কিন্তু এমন পরিস্থিতির শিকার। তাই আপনার ত্বকের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটুক, এমনটা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত ঘি ম্যাসাজ করুন। দেখবেন নিমেষে ত্বকের বয়স কমে যাবে প্রায় কয়েক বছর। এক্ষেত্রে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে প্রথমে। তারপর কয়েক ফোঁটা ঘি হাতে নিয়ে মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট মাসাজ করতে হবে। এমনটা নিয়মিত করতে পারলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

  • ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার

ত্বকে আর্দ্রতা আনতে নানা ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হয়। এবার ঘি ব্যবহার করে দেখুন। প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ত্বক আর্দ্র হয়ে যাবে। কোনো কারণে যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, তাহলে খাদ্যতালিকায় ঘি রাখুন। ত্বকে নিয়মিত ঘি ব্যবহার করলেও হাতেনাতে ফল পাবেন কিছুদিনের মধ্যেই।

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে

ঘি ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘ই’ ও ‘কে’ সরবরাহ করে। ফলে ত্বক হয় আরও উজ্জ্বল।

  • বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে

বয়সের কারণে শরীর ও ত্বক বুড়িয়ে যেতে থাকে। তবে প্রতিদিন যদি আপনার খাদ্যতালিকায় কিছুটা ঘি রাখেন, তাহলেই তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। সমবয়সীদের তুলনায় আপনার ত্বক দেখাবে উজ্জ্বল।

  • ঠোঁট কোমল ও গোলাপি রাখতে

শুষ্ক ও ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা এড়াতেও ঘি ব্যবহার করুন। ঠোঁট ভালো রাখার জন্য লিপবাম-এর চেয়ে কার্যকর ঘি। অল্প একটু ঘি আঙুলে নিয়ে তারপর সেটা ঠোঁটে লাগান। কয়েকবার ব্যবহারের পরই দেখবেন, আপনার ঠোঁট কোমল হয়ে উঠবে আর ফুটিয়ে তুলবে গোলাপি আভা।

  • ঠোঁটের দাগ মিলিয়ে যায়

আপনার ঠোঁটে কি কালো ছোপ ছোপ দাগ হয়েছে? নো টেনশন! প্রতিদিন অল্প পরিমাণ ঘি নিয়ে ঠোঁটের পরিচর্যা করুন। দেখবেন এক সপ্তাহের মধ্যে সব দাগ মিলিয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, ঠোঁট বেজায় পিংক হয়ে উঠবে। ফলে আকর্ষণীয় লিপস-এর অধিকারী হয়ে উঠতে দেখবেন সময় লাগবে না!

  • চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে

আপনাকে কতটা সুন্দর দেখতে, তা কিন্তু শুধু স্কিন টোন-এর উপর নির্ভর করে না। আপনার ঠোঁট এবং চোখ কতটা সুন্দর, তার উপরও কিন্তু সার্বিক সৌন্দর্য অনেকাংশে নির্ভর করে থাকে। তাই নিয়মিত চোখের পরিচর্যা করতে ভুলবেন না যেন! আর মজার বিষয় হল, এক্ষেত্রেও কাজে লাগাতে পারেন ঘিকে। কীভাবে? প্রতিদিন শুতে যাওয়ার আগে চোখের তলায় ভাল করে ঘি লাগিয়ে মাসাজ করুন। এমনটা কয়েক দিন করলেই দেখবেন চোখের ক্লান্তি ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে ডার্ক সার্কেলও মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। ফলে চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে চোখে পড়ার মতো!

চুলের যত্নে ঘি

ঘি এমন এক উপাদান, যা মুখরোচক সব ধরনের খাবারেই ব্যবহৃত হয়। আপনি কি জানেন, স্বাস্থ্যকর এই উপাদানটি চুলের জন্য কতটা কার্যকরী? খুশকির সমস্যা সমাধান, চুল পড়া রোধ এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে ঘি। তবে আপনি যদি সরাসরি চুলে ঘি লাগান তাহলে পরিষ্কার করতে খুব কষ্ট হবে। তাই সব সময় চুলে ঘি ব্যবহারের সময় এর সঙ্গে অন্য একটি উপাদান মিশিয়ে নেবেন। যাতে সহজে চুল থেকে ঘি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়।

চুলে কোন উপায়ে ঘি ব্যবহার করবেন এবং ঘি ব্যবহারে চুলের কী কী উপকার হয় সে সম্বন্ধে জানিয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।

  • চুল পড়া রোধে

প্রথমে একটি প্যানে চার থেকে পাঁচ চামচ ঘি গরম করুন। হালকা গরম হলে এর সঙ্গে পাঁচ গ্রাম কাজুবাদামের গুঁড়ো ও তিন টেবিল চামচ কাজুবাদামের তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া রোধ হবে।

  • প্রাকৃতিক কন্ডিশনার

ঘি চুলে শাইনি ভাব আনতে সাহায্য করে এবং চুলকে নরম করে। একটি বাটিতে দুই টেবিল চামচ ঘি ও এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগান। এবার ২০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুলে কন্ডিশনারের কাজ করবে।

  • চুলের আগা ফাটার সমস্যা দূর করে

তিন টেবিল চামচ ঘি নিয়ে চুলের আগায় ভালো করে লাগান। এবার ১৫ মিনিট পর চুল আঁচড়ে নিন। সবশেষে চুলে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুলের আগা ফাটার সমস্যা দূর হবে।

  • চুল ঝলমলে করে

চুরে সরাসরি ঘি লাগিয়ে ২০ মিনিট পর লেবুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস চুলে আলাদা একটা চকচকে ভাব আনতে সাহায্য করে।

  • নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে

মাসে অন্তত দুবার চুলে ঘি লাগান। এরপর আমলকীর রস অথবা পেঁয়াজের রস দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ধীরে ধীরে আপনার মাতায় নতুন চুল গজাবে।

  • খুশকি দূর করে

কাজুবাদামের তেলের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পর গোলাপজল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে চুলের খুশকি দূর হবে।

  • মাথার তালুর সংক্রমণ দূর করে

মাথার তালুতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ত্বকের এসব সমস্যা অনেক সময় সংক্রামক হয়। সপ্তাহে অন্তত দুদিন মাথার তালুতে ঘি ব্যবহার করলে সংক্রমণে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

গর্ভাবস্থায় ঘি খাওয়ার উপকারিতা

প্রাচীনকালে, গর্ভবতী মহিলাদের ক্যালরি ঘাটতি পূরণ করানোর জন্য ঘি ও ঘন দুধ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হত। কিন্তু আজ, ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অর্থাৎ পুষ্টিবিজ্ঞানীরা গর্ভবতী নারীদের এই কাজ করতে বাধ্য করেন না। এটা বলা হয় যে যদি মহিলার বমি তীব্র হয়, ঘিয়ের ফল ভাল হয়না। গর্ভবতীর তার নিজের শরীরের অবস্থা দেখে ঘি বা তেলের উপাদান গ্রহণ করা উচিত!

  •  কিছু বয়স্ক ব্যক্তিরা এখনও গর্ভবতীকে ঘি ও ক্রিম দুধ পান করতে বলে থাকেন। তাঁদের মতে, এটা গর্ভবতী এবং শিশু সন্তানের জন্য ভাল। সত্য হল যে যদি গর্ভবতী মহিলাদের সুষম খাদ্য খাওয়ানো হয় তবে ঘি হিসেবে অতিরিক্ত ক্যালোরি যুক্ত করার কোন যুক্তি নেই।
  • একটি নতুন গবেষণা প্রকাশ করে যে একটি গর্ভবতী মায়ের শুধুমাত্র তার শেষ চতুর্থাংশে প্রতিদিন ২০০ অতিরিক্ত ক্যালোরি প্রয়োজন। অধিকাংশ ডাক্তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় চতুর্থাংশে প্রতিদিন ৩০০ অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। শুধুমাত্র গর্ভাবস্থার আগে তার ওজন কমে গেলেই ডাক্তার বলবেন যে তার অতিরিক্ত ক্যালরি প্রয়োজন।
  •  ঘিয়ের মধ্যে চর্বি অত্যাধিক পরিমাণ থাকার কারণে কোলেস্টেরল স্তর বৃদ্ধি হতে পারে।

 

  •  গরুর দুধ এবং ঘি একটি গর্ভবতী মহিলার শরীরের জন্য সেরা প্রতিকার কারণ এটি খাওয়ার ফলে শিশুজন্মের ব্যথা হ্রাস পায় এবং শিশুটি খুব সহজেই জন্ম নেয় যাতে গর্ভধারণের তৃতীয় মাস থেকে মা শিশুকে খাওয়ানো শুরু করতে পারেন। এই বিষয়ের উপর যুক্তি সম্পর্কে যদি আপনি কথা বলেন, তবে ভুল নয়, তবে সীমিত পরিমাণের ঘিয়ের ভোজন করতে হবে।
  • ঘি এক বাটিের বদলে, প্রতিদিন এক-দুই চামচ ঘি ব্যবহার করা যথেষ্ট। রুটি বা পরোটার ওপর মাখিয়ে এটি খাওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে ভাতেও মেহে খেতে পারেন।
  • গর্ভাবস্থায় কাঁচা দুধ (টোনাড / ডাবল টনড দুধ) পান করাও ঠিক না। দুধ ফুটিয়ে খাওয়া উচিত। যদি আপনি সাধারণ দুধ পান করতে না চান, তবে আপনি দই, লসি, মিলশেক, চামচ, পনির ইত্যাদি অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্য গ্রহণ করতে পারেন।

একটি সুস্থ গর্ভাবস্থার জন্য, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে সমস্ত পুষ্টির একটি সুষম মিশ্রণ খাওয়া উচিত। আপনার সম্পূরক ঠিক মত খাওয়া এবং সময় মত একটি ভাল ব্যায়াম পরিচর্যা আপনাকে সাহায্য করতে পারে। যদি আপনি না জেনে থাকেন যে আপনার কতটুকু চর্বি খাওয়া উচিত, আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। তিনি আপনার জন্য একটি খাদ্য পরিকল্পনা করতে পারেন, বা একটি ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি(১ কেজি)

৳ 1,400.00
সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি  পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি। আপনিও ঘরে বসে উপভোগ করতে পারেন আমাদের নিজস্ব ফার্মে প্রস্তুতকৃত পাবনার খাঁটি গাওয়া ঘি'র স্বাদ!

সুন্দরবনের ১০০% প্রাকৃতিক মধু (৫০০ গ্রাম)

৳ 500.00
সুন্দরবনের মধু পৃথিবীর বিখ্যাত মধুগুলোর মধ্যে অন্যতম। আবার সারা বাংলাদশেে যে সমস্ত মধু পাওয়া যায় এগুলার মধ্যে স্বাদ,গুণে,মানে ও পুষ্টিতে সব দিক থেকে সুন্দরবনরে মধু সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও ঔষধি গুণে ভরপুর।

শিশুদের জন্য ঘিয়ের উপকারিতা

ঘি সীমিত পরিমাণে খাওয়ানো হলে শিশুদের জন্য খুব উপকারী হতে পারে। আপনি যদি ভাবছেন, বাচ্চাদের জন্য ঘি ভাল কিনা, এখানে ঘি আপনার শিশুর বিভিন্ন উপায়ে উপকার করে তার তালিকা রয়েছে:

  • ওজন অর্জন করতে সাহায্য করে: ঘি স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ক্যালোরিতে পূর্ণ হয়। মায়ের দুধ খাওয়া বন্ধ করার পরে এটি আপনার শিশুর ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
  • হাড়কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে: ঘিতে ভিটামিন কে থাকে যা শরীরের ক্যালসিয়াম উৎপাদনে সহায়তা করে, যা শক্তিশালী হাড়ের বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
  •  অনাক্রম্যতা বাড়ায়: ঘি তার অ্যান্টিমাইকোবায়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত এবং এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে, যা সংক্রমণ, কাশি ও ঠান্ডা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  •  হজমের সহায়ক: ঘি একটি ছোট শৃঙ্খলাযুক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড থাক যার নাম বাটয়রিক অ্যাসিড, যা প্রদাহ কমাতে এবং পাচনতন্ত্র উন্নত করতে সহায়তা করে। ঘি এছাড়াও পেটে অ্যাসিড স্রোতকে উদ্দীপনা দেয় যা খাদ্য হজম করতে সাহায্য করে।
  • অপরিহার্য ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে: ঘিতে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়ের জন্য ভাল। এতে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে রয়েছে যা চোখ, ত্বক এবং উন্নত অনাক্রমতার জন্য ভাল। ঘি ডিএইচএ বা ডোকোসাহেক্সএক্সেনোইক অ্যাসিড রয়েছে, যা চোখ এবং মস্তিষ্কের মধ্যে উপস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত ফ্যাট।
  • কার্সিনোজেনগুলি সরিয়ে দেয়: গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে মাঝারি পরিমাণে ঘি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে কার্সিনোজেন নির্মূল করা যায়, ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।
  • খারাপ কলেস্টেরলের মাত্রা কমায়: গবেষণায় দেখা গেছে যে অল্প পরিমাণে ঘি খাওয়ায় নিয়মিত শরীরের এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। এলডিএল কোলেস্টেরল ধমনী ব্লক করা এবং হৃদরোগের জন্য দায়ী।
  •  শুকনো কাশির চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে: শিশুদের শুকনো কাশি গোলমরিচ-এর নির্যাস সহ ঘি দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে। এটি তৈরি করার জন্য কয়েক চা চামচ ঘি গরম করুন, এতে ৩-৪ টুকরো টুকরো মরিচ কাটুন, হালকাভাবে গরম করুন এবং তাপ থেকে সরিয়ে নিন। সব মরিচকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য জন্য মিশ্রণটি ছেঁকে নিন এবং এই মরিচের নির্যাসযুক্ত ঘি অল্প পরিমাণে শিশুকে খাওয়ান তার শুকনো কাশি নিরাময় করতে।
  • একজিমার চিকিৎসা করতে পারে: ঘি শিশুদের একজিমা এবং চুলকানিযুক্ত ত্বকের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। খতিগ্রস্থ অংশে ঘি ঘষে দিন জায়গাটি আদ্র রাখতে। ঘি জীবাণু হ্রাস করে এবং একটি অ্যান্টিমাইকোবায়্যাল এজেন্ট হিসাবে কাজ করে, সংক্রমণ প্রতিরোধ করে ও একজিমা আরও ছড়িয়ে পরা থেকে আটকায়।
  •  থাইরয়েডের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে: ঘিতে আয়োডিন থাকে যা থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য

একটি শিশুকে খুব বেশী ঘি প্রদান করা কি ঝুঁকিপূর্ণ?

খুব বেশী যে কোন কিছুই খারাপ হতে পারে। একই জিনিস ঘিয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মাঝারি পরিমাণে গ্রহণ করা হলে, ঘিয়ের আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা আছে। তবে, অত্যধিক ঘি শরীরের বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। এটি বদহজম এবং ক্ষুধামন্দের কারণ হয়। যেহেতু ঘি ফ্যাট এবং ক্যালোরিতে পূর্ণ হয়, তাই এটি অত্যধিক খাওয়া স্থূলতা এবং হৃদরোগের কারণ হয়। অতএব, প্রতিদিন আপনার শিশুর জন্য ১ বা ১ ১/২ চা চামচ ঘি ব্যবহার সীমাবদ্ধ করা জরুরি।

সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করলে ঘিয়ের বাড়তি স্বাস্থ্যকর সুফল রয়েছে। যখন শিশুদের মায়ের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা হয়, তখন তারা ওজন হারায়। ঘি প্রদান করলে তাদের বয়সের জন্য উপযুক্ত ওজন অর্জন ও বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। ঘিতে ক্যালোরিও বেশি থাকে, যা শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয়, কারণ হাঁটা শুরু হওয়ার পরে তাদের আরও বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। যাইহোক, কোন খাদ্যতালিকাগত পরিবর্তন করার আগে আপনার শিশুর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা সবসময় ভাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *