Foods

জেনে নিন ঘি-এর ১০ উপকারিতা

এই শীতে শরীর সুস্থ রাখতে দরকার পুষ্টিকর খাবার। খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে বিস্ময়কর কিছু গুণ; যা এই শীতে শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির উৎস। যদিও ঘি খাওয়ার বিষয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে, তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘি স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

সর্দি-কাশি সারাতে, দুর্বলতা কাটাতে, ত্বকের সমস্যা দূর করতে ঘি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে খেলে গলা ব্যথা সারে। চ্যবনপ্রাশ তৈরির অন্যতম উপকরণ এটি। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিকেল রিসার্চ’ এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ঘিয়ের বহু গুণের কথা আমরা শুনে থাকলেও স্বাস্থ্য সচেতন, বলা ভাল ওজন সচেতন বর্তমান প্রজন্মের কাছে ঘি ভিলেন। এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ভুল। ঘিয়ের বহু উপকারিতা তো রয়েছেই, ঘি কিন্তু ওজন কমাতেও সাহায্য করে। জেনে নিন কী কী কাজ করে ঘি।

পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি(১ কেজি)

৳ 1,400.00
সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি  পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি। আপনিও ঘরে বসে উপভোগ করতে পারেন আমাদের নিজস্ব ফার্মে প্রস্তুতকৃত পাবনার খাঁটি গাওয়া ঘি'র স্বাদ!

ঘি-এর ১০ উপকারিতা:

১। স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।

২। নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

৩। স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৪। ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৬। ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৭। হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।

৮। রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯। খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

১০। পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।

ACCESSORIES

ভারতের প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ সন্ধ্যা গুগনানির মতে, শীতকালই ঘি খাওয়ার উপযুক্ত সময়। এ সময় এটি সহজে হজম হয় ও শরীর গরম রাখে। এতে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে আছে।দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি পেশি সুগঠিত রাখতে ঘি কার্যকর। এ ছাড়া শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে ঘি। প্রতিদিন সকালে এক বা দুই চা-চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এরপর গ্রিন টি বা সাধারণ চা ও কফি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

 

গর্ভাবস্থায় ঘি খাওয়ার উপকারিতা:

ঘি ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিডওমেগা৯ ফ্যাটি অ্যাসিডভিটামিনখনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ঘিয়ের অনেক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছেতবে গর্ভাবস্থায় এর উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয় না। তবেভারতীয় সংস্কৃতিতে ঘি নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে একজন গর্ভবতী মহিলাকে উপকৃত করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

  • এটি গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।
  • এটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করতে পারে।
  • এটি একটি মহিলার হজম ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে।
  • এটি শিশুর লালনপালনে সহায়তা করে।
  • এটি প্রসব শ্রমে স্বাচ্ছন্দ্যে সহায়তা করে।

বাজার থেকে সংগ্রহ করা ঘি বা স্বচ্ছ মাখনের তুলনায় বাড়ির তৈরি ঘি একটি ভাল এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প। আপনি প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশি ঘি খাওয়া শুরু করতে পারেনতবে আপনার যদি খুব বেশি ওজন বেড়ে যায় বা যদি ইতিমধ্যে আপনার ওজন বেশি হয় তবে আপনার চিকিত্সকের সাথে পরামর্শের পরেই কেবলমাত্র ডায়েটে দেশি ঘি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শিশুদের জন্য ঘি:

ঘি-কে একটি শক্তিশালী সুবাসযুক্ত মাখন হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়। ধীরে ধীরে মাখনকে ফুটিয়ে প্রস্তুত করা হয় সব যতক্ষণ না সব জল বাষ্পীভূত হয়ে যায় এবং ফ্যাটটি পৃথক হয়ে যায়। এর পরে, এটি একটি সুগন্ধযুক্ত, পুষ্টিকর স্বাদ দিতে কয়েক মিনিটের জন্য হালকা আঁচে গরম করা হয়। ঘি পুষ্টির একটি ভাল উৎস। ঘি শিশুদের ডায়েট অন্তর্ভুক্ত করা হলে এটি শিশুদের জন্য খুব উপকারী।

ঘিয়ের পুষ্টির মান

ঘি ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৯-এর মত অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এটি ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে-তে ভরপুর। ঘি তার অ্যান্টিমাইকোবালিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য পরিচিত। এটি শরীরের একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে, ক্ষতিকারক মুক্ত র‍্যাডিকেল অপসারণ করতে সাহায্য করে। ঘি হজমে সাহায্য করে এবং অনাক্রম্যতা ও দৃষ্টিশক্তি উন্নত করার জন্য পরিচিত। ভিটামিন কে হাড়ের বিকাশের জন্য অপরিহার্য ক্যালসিয়াম উৎপাদনে সহায়তা করে।

প্রতি টেবিল চামচ ঘিতে ১০৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ রয়েছে, যা দৈনিক প্রস্তাবিত পরিমাণের ১২ বা ১৫%। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঘি শরীর থেকে কার্সিনোজেন অপসারণে সাহায্য করেছে। কার্সিনোজেন শরীরের ক্যান্সারের কারণ একটি রাসায়নিক। ঘি এছাড়াও লিভারে এনজাইম কার্যকলাপ হ্রাস করে, যা এই ধরনের কার্সিনোজেনগুলি সক্রিয় করার জন্য দায়ী।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঘি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে পারে, এছাড়াও একে শরীরের নিম্ন-ঘনত্বীয় লিপোপ্রোটিন (এলডিএল) বলা হয়। ঘিতে ডিএইচএ রয়েছে যা মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে। ঘি ক্যালোরিতে বেশি ভরপুর এবং বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়ানোর পরে শিশুদের ওজন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

প্রতিদিন কেন এক চামচ ঘি খাবেন:

১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে তা আর্দ্র রাখে।
২. ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য উপকারী। এটি চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, এতে শরীরের সন্ধিগুলো ঠিক থাকে।
৪. এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বলে অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তোলে।
৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ করে ঘি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আছে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।

Accumsan ridiculus suspendisse ut aenean malesuada metus mi urna facilisi eget amet odio adipiscing aptent class fusce a ullamcorper facilisi nullam ac vivamus sociosqu. Nec felis non parturient fusce ornare dis curae etiam facilisis convallis ligula leo litora dui suscipit suspendisse ullamcorper posuere dui faucibus ligula ullamcorper sit. Imperdiet augue cras aliquet ipsum a a parturient molestie senectus dis morbi massa nibh phasellus vestibulum nam diam vestibulum sodales torquent parturient ut a torquent tempor ullamcorper. Parturient consectetur ultricies ornare ut tristique aptent sit hac dis iaculis.

Suspendisse Ullamcorper – Parturient Consectetur

LIGHTING

ত্বকের যত্নে ঘি:

ধোঁয়া ওঠা, গরম গরম ভাতে ঘি, সঙ্গে বেগুন ভাজা খেতে যতটা ভাল লাগে, ততটাই উপকার মেলে মুখে ঘি লাগিয়ে ম্যাসাজ করলেও। একাধিক স্টাডিতে ইতিমধ্যেই একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে মুখে এবং হাতে-পায়ে ঘি লাগিয়ে ম্যাসাজ করলে ত্বকের অন্দরে বেশ কিছু উপকারি উপাদানের মাত্রা এত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যে ত্বকের সৌন্দর্যতো বৃদ্ধি পায়ই, সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। ফলে নানাবিধ ত্বকের রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। এখানেই শেষ নয়, ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখে ঘি লাগিয়ে ম্যাসাজ করলে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন ধরুন-

ত্বকের বয়স কমবে

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত স্ট্রেস এবং পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় ক্ষতি হয় যে ত্বক বুড়িয়ে যায় সময়ের আগেই। সবথেকে ভয়ের বিষয় হল, এমন ঘটনা যে শুধু মুষ্টিমেয় কয়েকজনের সঙ্গেই ঘটছে, এমন নয়! বরং সিংহভাগই কিন্তু এমন পরিস্থিতির শিকার। তাই আপনার ত্বকের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটুক, এমনটা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত ঘি ম্যাসাজ করুন। দেখবেন নিমেষে ত্বকের বয়স কমে যাবে প্রায় কয়েক বছর। এক্ষেত্রে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে প্রথমে। তারপর কয়েক ফোঁটা ঘি হাতে নিয়ে মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট মাসাজ করতে হবে। এমনটা নিয়মিত করতে পারলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার

ত্বকে আর্দ্রতা আনতে নানা ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হয়। এবার ঘি ব্যবহার করে দেখুন। প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ত্বক আর্দ্র হয়ে যাবে। কোনো কারণে যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, তাহলে খাদ্যতালিকায় ঘি রাখুন। ত্বকে নিয়মিত ঘি ব্যবহার করলেও হাতেনাতে ফল পাবেন কিছুদিনের মধ্যেই।

চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে

আপনাকে কতটা সুন্দর দেখতে, তা কিন্তু শুধু স্কিন টোন-এর উপর নির্ভর করে না। আপনার ঠোঁট এবং চোখ কতটা সুন্দর, তার উপরও কিন্তু সার্বিক সৌন্দর্য অনেকাংশে নির্ভর করে থাকে। তাই নিয়মিত চোখের পরিচর্যা করতে ভুলবেন না যেন! আর মজার বিষয় হল, এক্ষেত্রেও কাজে লাগাতে পারেন ঘিকে। কীভাবে? প্রতিদিন শুতে যাওয়ার আগে চোখের তলায় ভাল করে ঘি লাগিয়ে মাসাজ করুন। এমনটা কয়েক দিন করলেই দেখবেন চোখের ক্লান্তি ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে ডার্ক সার্কেলও মিলিয়ে যেতে শুরু করবে। ফলে চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে চোখে পড়ার মতো!

ঠোঁট কোমল ও গোলাপি রাখতে

শুষ্ক ও ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা এড়াতেও ঘি ব্যবহার করুন। ঠোঁট ভালো রাখার জন্য লিপবাম-এর চেয়ে কার্যকর ঘি। অল্প একটু ঘি আঙুলে নিয়ে তারপর সেটা ঠোঁটে লাগান। কয়েকবার ব্যবহারের পরই দেখবেন, আপনার ঠোঁট কোমল হয়ে উঠবে আর ফুটিয়ে তুলবে গোলাপি আভা।

Mauris torquent mi eget et amet phasellus eget ad ullamcorper mi a fermentum vel a a nunc consectetur enim rutrum. Aliquam vestibulum nulla condimentum platea accumsan sed mi montes adipiscing eu bibendum ante adipiscing gravida per consequat gravida tristique litora nisi condimentum lobortis elementum. Ullamcorper ante fermentum massa a dolor gravida parturient id a adipiscing neque rhoncus quisque a ullamcorper tempor. Consectetur scelerisque ullamcorper arcu est suspendisse eu rhoncus nibh.

FURNITURE

Mauris torquent mi eget et amet phasellus eget ad ullamcorper mi a fermentum vel a a nunc consectetur enim rutrum. Aliquam vestibulum nulla condimentum platea accumsan sed mi montes adipiscing eu bibendum ante adipiscing gravida per consequat gravida tristique litora nisi condimentum lobortis elementum. Ullamcorper ante fermentum massa a dolor gravida parturient id a adipiscing neque rhoncus quisque a ullamcorper tempor. Consectetur scelerisque ullamcorper arcu est suspendisse eu rhoncus nibh.

Mauris torquent mi eget et amet phas ellus eget ad ullam corper mi a ferm entum vel a a nunc conse ctetur enim rutrum. Aliquam vestibulum nulla condi mentum platea accumsan sed mi montes adipiscing eu bibendum ante adipiscing gravida per consequat gravida tristique litora nisi condimentum lobortis elem entum. Ullamcorper ante ferm entum massa a dolor gravida parturient id a adipiscing neque rhoncus quisque a et ullam corper tempor. Conse ctetur ellus scelerisque ullamcorper montes gravida.

Mauris torquent mi eget et amet phasellus eget ad ullamcorper mi a fermentum vel a a nunc consectetur enim rutrum. Aliquam vestibulum nulla condimentum platea accumsan sed mi montes adipiscing eu bibendum ante adipiscing gravida per consequat gravida tristique litora nisi condimentum lobortis elementum. Ullamcorper ante fermentum massa a dolor gravida parturient id a adipiscing neque rhoncus quisque a ullamcorper tempor. Consectetur scelerisque ullamcorper arcu est suspendisse eu rhoncus nibh.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *